সতর্কতা

দুই ঘন মেঘের যখন হয় ঘর্ষণ

ধ্বন্যাত্মক-পরিণাত্মক প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্টি করে বিদ্যুত সে আকর্ষণ।

বিশ্বর তাপবৃদ্ধির ফলে মাটি যখন হয়ে যায় শুষ্ক,

বিদ্যৎ তখন অনায়াসে মাটিকে ছুঁয়ে ফেলে,এ মিথ্যে নয়কো।

এইভাবে বজ্রর জন্ম….সুখ ও দুঃখ দুই তা’র ধর্ম

কখনও যদি উন্মুক্ত স্থানে শোন পড়তে বাজ,

তা’ও যদি সে বিপদ ঘটে পথমাঝ,

এড়িয়ে যাবে বৈদ্যুতিক দন্ড বা গাছের তলা

কিংবা জলপূর্ণ কোন ডোবা-নদী-নালা।

বরং মাটিতে বসবে নতজানু, মাথা হেঁট….

কিন্তু কভু শোবে না চিৎ কিংবা সাষ্টাঙ্গে মেঝেতে ঠেকিয়ে পেট।

ছাদ কিংবা উচ্চস্থান ত্যাগ করবে শীঘ্র,

অবতরণ তৎক্ষণাৎ যদি পড়ে বজ্র।

পার তো, পাকাবাড়ির নীচে নিও আশ্রয়….

ধাতব জিনিস, বন্ধ কাঁচ ছোঁবে না যদি ঘরে রয়।

কলঘরে ধাতব জিনিস ছোঁবে না কখ্খনো,

ভিজে চামড়ার জুতো বিদ্যুত্বাহী, এ কথা জেনো।

বৈদ্যুতিক বস্তুর বিদ্যুত সংযোগ কোরো বিচ্ছিন্ন,

পায়ে পরবে না কোন জুতো রাবারের তৈরী ভিন্ন।

যদি বজ্রপাতে চুল খাড়া হয় কিংবা ধাতুর ‘ঠং ঠং’ শব্দ ছোটে,

হাঁটু মুড়ে মেঝেতে বসবে তখন নীচু মুখে বটে।

Leave a Comment