শিশু কহে জননীরে
হয়েই ভূমিষ্ঠ,
“খাদ্য দাও, রেখো না গো
পিপাসায় ক্লিষ্ট ।
ইচ্ছা পূরণ করিয়াছি
আমি যে তোমার
বিনিময়ে কিছু দেওয়াও
কর্তব্য যে মা’র।”
বার্দ্ধক্যে পিতামাতা
সন্তানেরে কন,
“অক্ষম বাপ-মাকে
তুমি কর সুরক্ষণ।”
বন্ধু কহে,”বিপদে তব
হয়েছি সহায়,
আমারেও দুঃখে একা
রেখো না কো হায়।”
পতী-পত্নীর চাওয়া পাওয়া
আর ভালবাসা—-
সেটাও যেন নিছকই
শুধু প্রত্যাশা।
চাকরি,ব্যবসা আর
দাসদাসীর সেবা—
প্রতিদানে পারিশ্রমিক
ছাড়া আছে কি বা?
যে কোনো সম্পর্কে জেনো
আছে কিছু দেওয়া,
বিনিময়ে তারপরে
অবশ্যই চাওয়া।
বিনিময়ে কিছু চেয়ে
নেওয়ার আশা—-
পরস্পরের এই ভাবকে
বলে প্রত্যাশা।