সুস্বাগতম আষাঢ়

এস গো ইপ্সিতা তুমি শীতল আষাঢ়,

প্রতীক্ষায় ধরণী আজি তোমার আসার ।

তোমার পরশনে হ’ব ধন্য যে আমি….

নয় কো অজানা তা’ হে অন্তর্যামী।

দাবদাহ নিভে যাক তোমার পরশে,

দহন ক্ষতর জ্বালা উঠুক হরষে।

নরম হইয়া যাক কঠিন মাটি

ধুয়ে যাক জমা যত ধুলোর ঘাঁটি।

চকচকে পাতাগুলো সবুজ হোক গাছে,

সরোবর নদী-নালা ভরে যাক মাছে।

ঝলমল করুক বসুন্ধরার দশদিশি …..

চারিদিকে ছড়াক আজ সিক্ত হাসিখুশি।

‘গুরু গুরু ‘ গরজাক মেঘ গরজনে,

লাগিবে আষাঢ় সবার মনোরঞ্জনে।

এস গো বর্ষণ মন্দ্রিত সন্ধ্যায়—-

ঘন মেঘের সাথে যেন মোর মন ধায়।

এস গো নিবিড় ঐ আলিঙ্গনে চাষার-

তুমি যে সাক্ষাৎ রূপ ধান্য-খাদ্য আশার।

বর্ষার আলিঙ্গন

বর্ষা যে আজ গান ধরেছে

রিমঝিম রিমঝিম-

তা’র সাথে মন উঠল নেচে

তা ধিন তা ধিন।

ঝলসে যাওয়া গরমটাকে করতে

শুধু কাৎ

পাখার ব্যবহার এ’সির ব্যবহার

দৌড়ে যাওয়া ছাত—-

সবই তো শেষ বিফল হ’ল

জিতল প্রকৃতি,

বৃষ্টির জল পড়ল নেমে

যেমন যথারীতি।

স্বপ্ন হ’য়ে ছিলে সখা

নয়ন কোণে মোর….

স্বপন যে আজ সত্যি হ’ল

কাটিয়ে ভীতি ঘোর।

অতি খরা অনাবৃষ্টি

দহন-তাপ চরম

দূর হ’ল যে তোমার ছোঁওয়ায়

মাটি হ’ল নরম।