বর্ষার আলিঙ্গন

বর্ষা যে আজ গান ধরেছে

রিমঝিম রিমঝিম-

তা’র সাথে মন উঠল নেচে

তা ধিন তা ধিন।

ঝলসে যাওয়া গরমটাকে করতে

শুধু কাৎ

পাখার ব্যবহার এ’সির ব্যবহার

দৌড়ে যাওয়া ছাত—-

সবই তো শেষ বিফল হ’ল

জিতল প্রকৃতি,

বৃষ্টির জল পড়ল নেমে

যেমন যথারীতি।

স্বপ্ন হ’য়ে ছিলে সখা

নয়ন কোণে মোর….

স্বপন যে আজ সত্যি হ’ল

কাটিয়ে ভীতি ঘোর।

অতি খরা অনাবৃষ্টি

দহন-তাপ চরম

দূর হ’ল যে তোমার ছোঁওয়ায়

মাটি হ’ল নরম।

শিল্পায়নের কীর্তন

বিভাগ-কবিতা
কলমে-শুভ্রা রায়
তারিখ-13.05.2021
অপ্রকাশিত
শিরোনাম-শিল্পায়নের কীর্তন

        
         এক দুপুরে             দেড়টা নাগাদ
                      এল তোড়ে বৃষ্টি,
         টানা দুইটি             ঘন্টা ঝরল….
                    কেমন অনাসৃষ্টি?
         “তোল্ তোল্       সব শুকনো কাপড়-
                   মুশকিল ভিজে গেলে”
          এঁটো হাতেই     দৌড়ে গেলাম
                    ভাতের থালা ফেলে।
          বন্ধ করি                  যত ছিল 
                   দুহাট খোলা কপাট…
           কিন্তু তাতেও        ভিজে গেল
                   বিছানা-মাদুর সপাট।
            অবশেষে            চেয়ে দেখি
                   পরিধান মোর ভিজে,
            ‘এত বেলায়       মেঘলা হাওয়ায়
                   কেমনে শুকাইব যে?’
            বোশেখ মাসের      ঝড়বৃষ্টি 
                    বড্ড দেরিতে এল….
             তবে কি মোদের      বর্ষাঋতু
                    এখনি নেমে গেল?
            হঠাৎ এমন          আবহাওয়া বদল
                      শিল্পায়নের হেতু?
            বেঁকে বসল          ধরার হাওয়া,
                       বিরূপ হ’ল ঋতু!
             বায়ুদূষণের          দাপট কমাতে
                      মেশিনে ব্যাটারি ব্যাভার-
             ট্রেনো উড়ে চলে,          গাড়ি বিনা
                                ড্রাইভার।